বাংলাদেশের পোশাক শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে। সত্তর দশকের শেষে এবং আশির দশকের প্রথম থেকে রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। এরপর এ শিল্প অতিদ্রুত বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের শীর্ষে নিজের স্থান করে নেয়। বর্তমানে দেশে অনেকগুলো রপ্তানিমুখী পোশাক শিল্প ইউনিট রয়েছে। এগুলোর প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগ ঢাকা অঞ্চলে অবস্থিত। অবশিষ্টগুলো প্রায় সবই চট্টগ্রাম বন্দর নগরীতে এবং কিছু খুলনা এলাকায় রয়েছে। ২০১২-১৩ সালে এ শিল্পে বাংলাদেশ ৮০৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে, যা মোট রপ্তানি আয়ের শতকরা ৪১.১০ ভাগ (উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৩)।
উৎপাদিত পোশাক :
ট্রাউজার, জিন্স প্যান্ট, স্কার্ট, টপস, সোয়েটার, জ্যাকেট, মেয়েদের পুলওভার, কার্ডিগান, ব্লাউজ, টি-শার্ট, শার্ট ও প্যান্ট ইত্যাদি।
রপ্তানিকৃত দেশসমূহ :
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, কানাডা, বেলজিয়াম, স্পেন ও যুক্তরাজ্য।
বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্প বিকাশের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান। অন্যান্য নিয়ামকের মধ্যে স্বল্প মজুরিতে শ্রমশক্তির সহজলভ্যতা অন্যতম। এ দেশে এ শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে দক্ষ ও অদক্ষ বিপুল শ্রমশক্তির, বিশেষ করে সমাজের নিম্ন আয়ের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয়-রোজগারের বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও সুফল বয়ে আনছে। পোশাক শিল্পকে এখন বলে 'বিলিয়ন ডলার’ শিল্প।
এ শিল্পে জাপান, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা প্রভৃতি দেশ বিনিয়োগ করেছে। চট্টগ্রাম ও ঢাকার ইপিজেড (EPZ) দুটি কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধ করা সম্ভব হবে।
Kw,
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পোশাক শিল্পের অবদান The contribution of garment industries to the economy of Bangladesh, তুলি নিউজ ২৪, tuli news 24, rtuli24.com
